সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> কখনো জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবার কখনো পুলিশ সুপার (এসপি) পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্নজনের কাছে থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এমন অভিযোগে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা সাইদুল ইসলাম (৩৩) নামে এক প্রতারককে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় কালীগঞ্জে থানা পুলিশের একটি টিম। গ্রেফতার সাইদুল ইসলাম উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের মহিষামুড়ি গ্রামের মঈন আলীর ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক।
পুলিশ জানায়, এসব মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেও ২০১৪ সাল থেকে পলাতক ছিলেন সাইদুল। বর্তমান কালীগঞ্জ থানার ওসি সেলিম মালিক ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে দীর্ঘ ১১ বছর পর তাকে আটক করতে সক্ষম হন। সাইদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন। তাঁর সহযোগীদের নিয়ে কখনো জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপার সাজতেন। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। নিজেকে বিভিন্ন নামে প্রচার করতেন কখনো সাইদুল, আবার সাইদুর, বিপ্লব এসব নামে।
গত বুধবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে বরিশালের মেট্রো পলিটন পুলিশের সহায়তায় কালীগঞ্জ থানা পুলিশের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বরিশাল নগরী থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে ‘জিনের বাদশা’ সেজে প্রতারণা, বিকাশ প্রতারণা, ভুয়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার এমনকি ২০১৩ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা একটি মামলাও রয়েছে।
কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক বলেন, সাইদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় সরকারি কর্মকর্তা এমনকি ২০১৪ সালে ডিসি পরিচয়ে প্রতারনা করতে গিয়ে ধরা পরে। এমন ২ টি মামলায় ১ বছর বিনাশ্রম সাজা হয়। এবং তার নামে ঢাকা, শরিয়তপুর, রাজশাহী, গাইবান্ধা, গাজিপুর, শেরপুর ও মানিকগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ৮টি প্রতারণা মামলা রয়েছে।
তিনি বলেন, লালমনিহাট জেলা পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ৮টি প্রতারণা মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।